রাতে ঘুমানোর আগে ২টি লবঙ্গ খেলেই মিলবে উপকার ২০২০

রাতে ঘুমানোর আগে ২টি লবঙ্গ।

তো বন্ধুরা আপনারা সবাই কেমন আছেন? আপনাকে আবারো স্বাগতম জানাচ্ছি আপনাদের প্রিয় ব্লগ টিপ্স২হাব এ ।

আজকে আমি আপনাদের সাথে লবঙ্গ নিয়ে অসাধারন কিছু গুন নিয়ে লিখতে যাচ্ছি।
তো বন্ধুরা হয়তো বুঝে গেছেন, আজকের বিষয় বস্তু নিয়ে।

কারন লবঙ্গ শুধু রান্নার স্বাধই বাড়ায় না,এর রয়েছে অসাধারন কিছু স্বাস্থ্য ও পুষ্টিগুন। নিয়মিত লবঙ্গ খেলে নারী কিংবা পুরুষ এর দেহেন কি কি কার্যকরিতা পাওয়া যায় তা এই নিবন্ধিত ব্লগের সংক্ষিপ্ত বিষয় পড়লে বুঝতে পারবেন।

আরো দেখুনঃ অ্যালভেরা এর গুনাগুণ গুলি।

 

লবঙ্গ হচ্ছে এক ধরনের গাছের ফুল যা ইন্দোনেশিয়াতে আদিস্থান বা জন্ম নিয়েছে কিন্তু এটি বর্তমানে আফ্রিকাসহ বিভিন দেশেই এই ফু্লটির চাষ হচ্ছে।

এই লবঙ্গ রান্নার মশলার ব্যবহার ছাড়াও বিভিন্ন আয়ুর্বেদিক এর ওষুধি এর উপকরন হিসাবে এটি ব্যাপক ভাবে ব্যবহার হয়ে আসছে।

 

লবঙ্গ খেলে কি হয়?

শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যা কিংবা হজমের চিকিৎসা হিসাবে হাজার হাজার বছর ধরনে লবঙ্গ ব্যবহৃত হচ্ছে।
এর মধ্যে আছে ভিটামিন এ,বি,সি,টি এবং ভিটামিন বি কমপ্লেক্সের মত উপাদান।
লবঙ্গ ব্লাড সুগারের রোগি দের জন্য অনেক বেশি কার্যকরি ভূমিকা রাখতে সক্ষম উপাদান।
কারন ২০০৬ সালে একটি গবেষনায় জানানো হয়েছিলো যে একজন ডায়াবেটিক এর রুগি প্রতিদিন ১ থেকে ২ গ্রাম লবঙ্গ খায়, তবে খুব তারাতারি তাদের সুগার কে কন্ট্রোল করতে পারবে এবং সুগারের পরিমানও কমে যাবে।
এছাড়াও এর মধ্যে আছে পটাশিয়াম,ম্যাগন্নেশিয়াম, খনিজ পদার্থ এবং এন্টিওক্সিডেন্ট এর মতন উপকারি সব উওপকর।
এসব কারনেই লবঙ্গ আমাদের পরিপাক এর জন্য অনেক বেশি উপকারী, তাছাড়া লবঙ্গ বদ হজম, কোষ্ঠ্যকাঠিন্ন কিংবা বায়োজনিত সমস্যা গুলি এবং পেট ফাপা দূর করতে অনেক উপকারী এবং কার্যকরি।
এর মধ্যে থাকে পলিহেনলস যা, শরীরের এন্টি-অক্সিডেন্ট এর ঘাটতি খুব দ্রুততার সাথে পূরন করতে সক্ষম। তাছাড়াও দাঁতের মাড়ি এবং দাঁত সুস্থ রাখতে লবঙ্গের কোন জুড়ি নেই বললেই চলে।
পাশাপাশি দাঁতের ব্যাথা উপশমে লবঙ্গের তেল অনেক উপকারি ভূমিকা রাখতে পারে।

পরিশেষে লবঙ্গের উপকারীতা প্রসঙ্গে কিছু কথাঃ

তো বন্ধুরা আমদের অনেকেরই বিভিন্ন প্রকারের রোগ বা সমস্যা থেকে থাকে , আর এই আর এই ধরনের রোগ গুলি কে প্রাকৃতিক ভাবে নিরাময় করতে আমাদের কাছেই আছে অযস্র আয়ুর্বেদিকের উপাদান।
তাই এসব প্রাকৃতিক উপাদান গুলির সঠিক ভাবে ব্যবহার করতে পারলে সম্পুর্ন ভাবে রোগ মুক্তি করা সম্ভব।
তো বন্ধুরা আজকের নিবন্ধিত ব্লগটি আপনাদের কাছে কেমন লেগেছে সেটি জানিয়ে নিচের কম্মেন্ট অপশন এ অবশ্যই কম্মেন্ট করবেন।
আর ভাল লাগলে অবশ্যই বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করতে ভুলবেন না এতে আপনি সহ অন্যরাও কিছু জানতে পারবে। তাই পরবর্তি পোষ্ট নিয়ে আসবো আজকের এতো টুকুই। ভালো থাকুন।
ভালো লাগলে আমার টেক ব্লগ ঘুরে দেখুনঃ SDewery.me

Leave a Comment