ফেসবুকে আপনার ওয়েবসাইট ইউআরএল কেন ব্লকড হয়।

আপনি যদি নরমালি জেনে না থাকেন যে কেন ফেসবুক তাদের ওয়েবসাইট থেকে আপনার ইউআরএল ব্লক করে তাহলে আপনার পারস্নাল ব্লগ বা সাইট টি ব্লকড হতে পারে ফেসবুক থেকে।


আপনার যদি একটি ওয়েবসাইট থেকে থাকে, তাহলে আপনার অবশ্যই জানা উচিৎ এ ঠিক কি কারনে আপনার ওয়েবসাইট এর লিংক টিকে ফেসবুক ব্লকড করে দিলো।

তাই আজকের এই পোষ্টে এর বিস্তারিত আলোচনা করতে চাচ্ছি।


ফেসবুকে আপনার ওয়েবসাইট ইউআরএল কেন ব্লকড হয়।

তো বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন। 
আশা করি সবাই ভালো আছেন। আপনাকে আবারো স্বাগতম আপনার নিজেদের ব্লগে। 

আজকের এই পোষ্ট এ আলোচিত সকল বিষয় গুলি খুব ভালো পড়ে নিবেন এবং এটি পড়া শেষ করলেই খুব ভালো ভাবে বুঝে যাবেন যে ঠিক কি কারনে ফেসবুক আপনার কাংখিত ব্লগ বা ওয়েবসাইট টিকে ব্লকড করে দেয়।

তাই চলুন সময় নষ্ট না করে এক নজরে দেখে নেই।

১। একটা ইউআরএল লিংক বার বার শেয়ার করলেঃ আপনি যদি আপনার সাইট এর একটি পোষ্টের লিংক কপি করে ফেসবুকের পোষ্টে, বা নিজের টাইমলাইনে, বিভিন্ন পেজে, বা গ্রুপে কন্টিনিউ ভাবে পাব্লিশ করতে থাকেন তাহলেই ফেসবুক এটি স্প্যামিং করছেন বলে ধরে নেয়।

কারন ফেসবুকের ভাষ্যমতে আপনার পোষ্টের লিংক টি যদি ইউজার ফ্রেন্ডলি পোষ্ট হয়ে থাকে, তাহলে এটি এক বা দুই জায়গাতে পোষ্ট করলেই মানুষ এটিকে প্রধান্য দিয়ে ভাইরাল করে ফেলবে।

সুতরাং এক লিংক বার বার একাধিক স্থানে প্রকাশিত করার দরকার নেই কিংবা শেয়ার করাও যাবে না।


২। ফেসবুকে স্প্যাম কম্মেন্ট থেকে বিরত থাকুনঃ আপনার ওয়েবসাইটের ইউআরএল টিকে যদি লোক জনের কম্মেন্ট বক্সে গিয়ে আপনার ইউআরএল কে কম্মেন্ট করে আসেন বা ফেসবুকের বন্ধুদের বা লোক জনকে মেসেজের মাধ্যমে একাধিক বার একই ইউআরএল কে মেসেজের মাধ্যমে পাঠিয়ে থাকেন তাহলে এটিকেও ফেসবুক স্প্যাম বলে মনে করে আপনার ইউআরএল কে ব্লকড করে দেয়।

৩। ফেসবুকে শেয়ারকৃত লিংক একাধিক বার রিপোর্ট খেলেঃ আপনি যদি কোন গ্রুপের মানুষের করা কম্মেন্ট বক্স বা পেজে কম্মেন্ট করা মানুষ গুলির আইডিতে গিয়ে আপনার ইউআরএল কে কম্মেন্ট করেন এবং সেই লিংক এ কোন ব্যক্তি যদি স্প্যাম বলে রিপোর্ট করে তাহলে সেটিকে ফেসবুক ব্লকড করে দেয়।

৪। কন্টেন্টে মিথ্যা বা ভূয়া প্রকাশ করা যাবে নাঃ আপনি যদি আপনার ব্লগে বা সাইটে ভূয়া বা মিথ্যা বানিয়ে কোন কন্টেন্ট পাব্লিশ করে ফেসবুকে শেয়ার করেন এবং ফেসবুক যদি যাচাই বাচাই করে দেখে যে এটি একটি ভূয়া কন্টেন্ট তখন তারা চাইলেই আপনার লিংক টিকে ব্লকড করতে পারে অতএব এ ধরনের পোষ্ট পাব্লিশ থেকে দূরে থাকুন।

৫। ফেসবুকে কপিরাইট কন্টেন্ট পাব্লিশ করলেঃ ধরুন আপনি যদি কোন পেজের বা গ্রুপের কোন ভালো পোষ্ট কে পছন্দ করলেন এবং সেটিকে আপনি কপি করে আপনার ব্লগে বা সাইটে পাব্লিশ করলেন। 

এবং পরবর্তীতে সেই পোষ্ট এর ইউআরএল কে ফেসবুকে পাব্লিশ করলে ফেসবুক তখন এটিকে কপিরাইট হিসাবে চিহ্নত করে আপনার সাইটের লিংক কে ব্লকড করে দেয়।।

৬। আন অথোরাইজ ডোমেইন ব্যবহার করলেঃ আমরা অনেকেই আছি যারা তাদের সাইটে বিভিন্ন সময়ে ফ্রি ডোমেইন ব্যবহার করি।

যে গুলো টপ লেভেলের ডোমেইন এর সাথে যায় না।


যার কারনেও ফেসবুক অই ইউআরএল কে ব্লকড করে দেয়।তাই চেষ্টা করুন টপ লেভেলের ভালো ডোমেইন কিনে কাজ করার।।

আশা করি উপরের সব গুলি পয়েন্ট খুব ভালো ভাবে ধরতে পেরেছেন।। 

মূলত এগুলাই হচ্ছে ফেসবুকে লিংক ব্লকের প্রধান এবং মূল কারন,তাই আশা করছি এ বিষয়ে খুব ভালো ভাবে কাজ করার এক্সপ্রিয়েন্স রেখে কাজ করবেন।

আর যদি পোষ্ট টিকে ভালো লাগে তাহলে শেয়ার করবেন বন্ধুদের মাঝে এতে আপনি সহ আপনার বন্ধুরাও হেল্প পাবে। 


আর অবশ্যই মতামত জানাতে নিচের কম্মেন্ট বক্সে কম্মন্ট করে জানিয়ে দিবেন।

Leave a Comment