ফোন স্লো হওয়ার কারনে বদলে নিন কিছু সেটিংস

ফোন স্লো হওয়ার কারনে বদলে নিন কিছু সেটিংস:

ফোনের অ্যাপস লোডিং স্পিড ও ডিভাইস পারফরম্যান্স ভালো করার জন্য এবং স্পিড ও ডিভাইস পারফরম্যান্স ভালো করার জন্য এন্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম বা (OS) ব্যাকগ্রাউন্ডে কিছু না কিছু ডাটা সব সময়ই রানিং থাকে। 


যদিও এটি কিছু কিছু ক্ষেত্রে কার্যকরী হলেও সবসময়ে হয় না। 

ফোন স্লো হওয়ার কারনে বদলে নিন কিছু সেটিংস

তবে যখন আপনি গুগল প্লে স্টোর থেকে এমন কিছু থার্ড পার্টি অ্যাপস ডাউনলোড করে থাকেন যেগুলো তে অনেক কিছু পার্মিশন চেয়ে থাকে তখন কোন কোন ক্ষেত্রে সেটির বিপরীত প্রভাবও দেখাতে পারে ,যা আপনি কখনো ভাবেন নি। 


এভাবে ব্যাকগ্রাউন্ডে চলতে থাকা সেই অ্যাপটি চলতে চলতে অনেক সময় এতটা রিসোর্স ব্যবহার করে ফেলে, যার পরে ফোনটির নিজের জন্য যত টুকু রিরোর্স দরকার সেটি প্রায় নষ্ট হয়ে যায় বা করে ফেলে এবং এর পর পর এই সমস্যা থেকেই ফোনে প্রভাব পড়তে শুরু করে এবং বিভিন্ন সমস্যা করে ফেলে।
যেমন এর মধ্যে- ফোন ল্যাগ করা,ফোন অত্যাধিক গরম হওয়া, আপলোডিং-র বেশি সময়ে সময় বেশি লাগা, গেম খেলার সময় বিভিন্ন রকম ল্যাগিং বা ফ্রিজিং ইত্যাদি। 


তো এই রকম সমস্যা গুলি যদি আপনারও ফোনেও থেকে থাকে,
তাহলে আজ এই পোষ্টে আপনাকে এমন কিছু পদ্ধতি জানাবো যার মাধ্যমে আপনি ফোনের ব্যাকগ্রাউন্ড প্রসেস সীমাবদ্ধ করে আপনি আপনার স্মার্ট ফোনকে আরো দ্রুত কার্যশীল করতে পারবেন এবং এতে কোন সমস্যা হবে না আশা করি।

Also Read: খুব সহজে নতুন ব্লগার বা ওয়ার্ডপ্রেসে যেভাবে এডসেন্স নিবেন

 

• ব্যাকগ্রাউন্ড প্রসেস সীমাবদ্ধ করা আসলে কি?

এন্ড্রোয়েড এর প্রত্যেকটি অ্যাপ চলার সময় এপস গুলি থেকে তৈরি হওয়া ক্যাশ ফাইল গুলি ফোনের RAM-এ জমা করে রাখে। এর জন্য পরেরবার আবার অ্যাপটি খোলার সময় কিছু সুবিধা হয়। 


এন্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম(OS) এই পদ্ধতিটিকে সাধারনত গুগলের সেটিংসের মাধ্যমে ম্যানেজ করা হয়ে থাকে। তবে এই ব্যাকগ্রাউন্ড প্রসেস লিমিটকে (Backgraund Process Limit) পরিবর্তন করারও কিছু পদ্ধতিও রয়েছে।

• ব্যাকগ্রাউন্ড প্রসেসকে সীমাবদ্ধ কিভাবে করবেনঃ

ব্যাকগ্রাউন্ড প্রসেসকে সীমাবদ্ধ করার মাধ্যমে ব্যবহারকারী এন্ড্রয়েডঅপারেটিং সিস্টেম(OS)কে কমান্ড করে দেয় যেনো ব্যাকগ্রাউন্ডে কোন অ্যাপ চালু রেখে অপ্রয়োজনীয় রিসোর্স নষ্ট না করা হয়।
তবে এটি শুধু ব্যাকগ্রাউন্ডে থাকা অ্যাপটির মধ্যের রিসোর্স গ্রহণ বন্ধ করবে। 


তবে ইমেইল বা হোয়াটসঅ্যাপস ইত্যাদির ক্ষেত্রে নোটিফিকেশন কখনোই বন্ধ করবেনা।


এর শুধুমাত্র একটাই অসুবিধা আছে ,তা হল যদি ব্যবহারকারী অ্যাপটিকে পুনরায় খুলতে চান তবে অ্যাপটিকে আবার প্রথম থেকে কাজ শুরু করবে।

ব্যাকগ্রাউন্ড প্রসেসকে সীমাবদ্ধ করতে প্রথমে আপনাকে আপনার ফোনের মধ্যে ডেভেলপার অপশনে যেতে হবে। 
যদি আপনার ফোনে ডেভেলপার অপশন না থেকে থাকে তাহলে প্রথম থেকে করতে হবে আর যদি না পারেন তো তাহলে নিম্নলিখিত উপায়ে আপনাকে অপশনটিকে চালু করতে হবে –

¤ ডেভেলপার অপশন চালু করঃ

ডেভেলপার অপশন না থাকলে এর জন্য প্রথমেই আপনাকে আপনার ফোনের সেটিংস এর মধ্যে ঢুকতে হবে।


তারপর আপনাকে নিচে বা উপরে থাকা অ্যাবাউট ফোন অপশনে ক্লিক করতে হবে।


সেখানে গিয়ে লখে খুজুন যে বিল্ড নম্বর লেখা আছে কিনা এবং এর পর বিল্ড নাম্বারের উপর একটানা সাতবার ট্যাপ করুন দেখবেন যে ডেভেলপার অপশন চালু না থাকলে চালু হয়ে যাবে।

¤ ব্যাকগ্রাউন্ড প্রসেস সীমাবদ্ধ করা-

এর পর অন হলে আপনাকে প্রথমে আপনার ফোনের সেটিংস থেকে ডেভেলপার অপশন খুঁজে পাবেন এবং তাতে ট্যাপ বা ক্লিক করুন করতে হবে।


এর পর সেই পেজের নিচে গিয়ে আপনাকে খুঁজে বের করুন ব্যাকগ্রাউন্ড প্রসেস লিমিট অপশনটি।
তারপর আপনি নিচের ৬ টি আলাদা আলাদা অপশন পাবেন – 

  • Standard, 
  • No background process, 
  • At most 1 process,
  • At most 2 processes, 
  • At most 3 processes, 
  • এবং At most 4 processes। 


এছাড়াও আপনি এইখান থেকে পেজে লোডিং এর অপশন পাবেন ঠিক (অফ,০.৫ সেকেন্ড বা ১.৫ ,২ সেকেন্ড এর মত স্কেল এর) এগুলো সব বন্ধ করে দিন।

সেখানে নিজের পছন্দসই অপশন গুলো খুজে নিতে হবে আপনাকে এবং আপনার যা যা অপশন দরকার আছে সেগুলো কনফ্রাম করুন।


এরপর আপনাকে আপনার সমস্ত অ্যাপস গুলি রিসেন্ট বার থেকে ক্লিয়ার করে একবার ফোনটিকে রিস্টার্ট করে নিতে হবে।

Also Read: ফেসবুকে সিঙ্গেল নাম করার নিয়ম ২০২০

 

অ্যাপস ক্লিয়ার এর ডাটা ক্লিয়ার করুনঃ

যেসব অ্যাপস গুলি ক্যাশডাটা বেশি নিয়ে নেয় পারলে সে গুলো কিছু ক্লিয়ার করে রাখুন,আর যে অ্যাপস বেশি দরকার হয় না সেগুলো আন-ইনস্টল করে দিন,


এবং ৩র্ড পার্টি অ্যাপস গুলো রিমুভ করে রাখুন বিশেষ করে যেগুলো তে এডস শো হয় ডাটা অন হলে।

এন্টিভাইরাস ক্লিনার অ্যাপস থেকে দূরে থাকুনঃ

এ ধরনের অ্যাপস  গুলি সব সময় ব্যাকগ্রাউন্ডে চালু রাখতে হয় যার জন্য মেমোরি ক্যাশ এবং ব্যাটারির উপর প্রভাব ফেলে তাই এ ধরনের অ্যাপস থেকে দূরে থাকুন,কারন এন্ড্রোয়েড এ এসব অ্যাপস এর কোন
দরকার নেই।

 

বরং এগুলো উলটো সমস্যা এবং ফোনকে স্লো করে দেয়। 

আশা করি পোষ্ট টি দেখে বুঝতে পেরেছেন।আর না বুঝে থাকলে কম্মেন্ট করবেন,আশা করি আপনাকে ভালো সাজেষ্ট দিতে পারবো।


তাই যেকোন মন্তব্যে লিখে আমাদের জানাবেন,ধন্যবাদ।

Also Read: ফেসবুকে পেজের লাইক বাড়ানোর কিছু উপায়

Leave a Comment