হস্তমৈথুন কিভাবে আপনার জীবন কে ধ্বংস করছে?

কেমন কাটছে আপনাদের দিনকাল ? আশা করছি সবাই ভালো আছেন। 

 
আসলে ভালো খারাপ মিলিয়ে আমাদের জীবন তো আজকে একটু ব্যতীক্রমী পোষ্ট করবো ভেবেই আজকের পোষ্ট, বর্তমানে আমাদের যুবক ভাইদের মধ্যে হস্তমৈথুনের একটি প্রবনতা রয়েছে।  
 

কিন্তু আমরা জানিনা যে এ কাজ টি আমাদের কিভাবে ধংস করে যাচ্ছে তাই আজকে আমরা হস্তমৈথুনের কুফল সম্পর্কে জানবো এবং ের থেকে কিভাবে দূরে থাকা যায় বা প্রতিকার করা যায় সেই বিষয়ে পোষ্ট টি পড়বো।।

Also Read: একজন সফল Freelancer হিসাবে

আমি আশা রাখছি যে আপনি আজকের এই আর্টিকেলটি একবারে পুরোটা পড়বেন, আশা করি এতে আপনার ক্ষতি হবে না বরং কিছু জানতে পারবেন এখান থেকে। 


আমি প্রায় দেখে আসছি আমাদের তরুণ সমাজের মাঝে কিছু বাজে রকম আসক্তির কুফল রয়েছে এবং এটা থেকে প্রতিকারের উপায় নিয়ে আলোচনা মূলক পোষ্ট করবো আশা করি আপনারা সবাই আমার সঙ্গে থাকবেন,


তাই আমাদের লাইফস্টাইলের পয়েন্টে আজকের বিষয়, হস্তমৈথুন এবং এর কুফল এবং এর প্রতিকারের উপায়।

হস্তমৈথুন কি? এটি শরীরের পক্ষে স্বাস্থ্যকর নাকি অস্বাস্থ্যকর?

তাহলে প্রথমেই আপনি আমাকে এটা বলেন যে ওষুধমানুষের শরীরের পক্ষে স্বাস্থ্যকর নাকি অস্বাস্থ্যকর? আপনি যখন ওষুধ নির্দিষ্ট পরিমানে গ্রহণ করে থাকে তখন সেটাকে মেডিসিন বলে। 


আর যখন এই ওষুধ লিমিটেড এর থেকে বেশি পরিমাণে নেওয়া হয় তখন সেটা আপনার মৃত্যুরও কারণ হয়ে দাড়াতে পারে। 
 
এক্তি সাইনটিফিক রিসার্চের মাধ্যমে জানা গেছে যে খুব অল্প ওষুধ যেমন ধরুন হেরোইন বা কোকেইন পাউডার আমাদের শরীরে যে রকম ক্যামিক্যাল পরিবর্তন ঘটায় এবং আমাদের স্বাভাবিক অনেক কাজকে বাঁধা দেয় ঠিক তেমনই হস্তমৈথুন করার ফলেও আমাদের মধ্যে ঠিক একই রকম একটি কেমিক্যাল চেঞ্জ করে।
তাই এটাকে অনেকেই হিরোইনের/কোকেইন পাউডারের মত মনে করেন। 
 
কেউ যদি একবার এই এডিকশনে আটকে যায় তবে সেখান থেকে বেড়িয়ে আসতে প্রচুর ইচ্ছা শক্তি ও ধৈর্যের প্রয়োজন হয়ে পড়ে। এর কারণ , এই এডিকশনটা ভীষণ মাত্রায় শক্তিশালী এবং আমাদের সবসময় টেস্টোস্টেরন হরমোন এর ক্ষতি হয় যেটা কিনা আমাদের উত্তেজনা তৈরি করার জন্য দায়ী থাকে।
 
আবার এই দিকে এই হরমোনই আমাদের শরীর গঠন করে থাকে।
 
তাই আপনি যদি নিজের দেহ থেকে এই টেস্টোস্টেরন হরমোন সব সময় বের করে দিতে থাকেন তবে তার জন্য আপনার শরীরের গঠন স্বাভাবিক গঠন এবং মানসিক বিকাশে বাধাগ্রস্থ হয়ে পরে।

এবার আসি মানষিক ব্যাপরে।

যদি অত্যাধিক মাত্রায় পর্ন ভিডিও দেখা হয় বা হস্তমৈথুনের ফলে আমাদের মাথার মধ্যে সব সময় এক ধরনের সেক্স রিলেটেড চিন্তা ভাবনা ঘুড়াফেরা করতে থাকে।

যার জন্য উল্টোপাল্টা কোন রকম চিন্তা গুলি নিয়ে আমরা ভাবতে থাকি। এর এর পরে আমরা নিজেরাই আবার এতা ভাবি যে ইশ আমি কত বাজে বা ন্যাস্টি রকমের হয়ে গেছি।
তো যাই হোক এবার আমি আপনাকে বলি, এটা নিয়ে এতো চিন্তা ভাবনা করার এতো কারন নেই। 
 
আপনার মধ্যে  এরকম হচ্ছে এর কারণ আপনি সারাদিন ধরে শুধু  সেক্স রিলেটেড চিন্তাই আপনি করছেন। তাই অন্য কোন বিষয় নিয়ে সব সময় সারাদিন ভাবতে থাকুন,খেয়াওল করবেন যে আপনার চারিদিকে যা হচ্ছে সারাদিন ওই রিলেটেড জিনিস গুলোর দিকেই আপনার চোখে পড়বে। 
 
যেমন ধরা যাক একজন বিজনেসম্যান সবকিছুতেই সব সময় দেখে সম্ভাবনা। আবার একজন কবি সবকিছু তেই তার সাহিত্য কিংবা কবিতা দেখতে পায়।তাই এরকমই কিছু জিনিসের ব্যাপারে সারাদিন ভাবতে থাকি যেন আমরা আমাদের চারিদিকে সেই জিনিস গুলো দেখতে পাই।
কারণ আমরা কেউই নিজের মস্তিষ্কের দাসত্ব হয়ে থাকুক বা কেউ পছন্দও করেন না। তাই এই দাসত্ব থেকে কিভাবে মুক্তি পাওয়া যায় এটাই আজকের আমি বেস্ট সেলিং বুক পাওয়ার অফিস থেকে আপনাদের সাথে এটি শেয়ার করব।
 
আমরা মোবাইল বা ল্যাপটপ টা খুলে কোন ভিডিওগুলো প্লে করি আর বাকিটা তো আপনি নিজেই জানেন, যখনই আমরা এই রকম কোন রুটিন ফলো করতে শুরু করি এবং আমাদের ভেতরে একটা চেঞ্জ শুরু হয়ে যায় এবং জড়িত হয়ে যাই এই এডিকশনে যেটা আমাদের ব্রেনের মধ্যের সার্কিট একটিভেট করে দেয় এবং আমরা একটা প্লিজারিং ভাব অনুভব করতে  থাকি এবং এই ফিলিংস তাই আমাদের মাঝে কাজ করে এবং আমরা আমাদের এই অভ্যাসটি কন্ট্রোল করতে পারি না এর কারণ এটাই যে এই জিনিসটার উপর আমাদের সামান্য কন্ট্রোলে থাকে, কিন্তু আমরা চাইলে এর পরিবর্তন আনতে পারি। 
 
আর ধরনের পরিবর্তন করার  জন্য আমাদের শুধুমাত্র রুটিনের পরিবর্তন আনা দরকার কিন্তু এরকম নয় যে একদিনের মধ্যেই এই পুরো রুটিনটা সম্পূর্ণ বদলে ফেলতে হবে ,এটিকে আমাদের ধীরে ধীরে বদলাতে হবে।

আমরা কিভাবে পরিবর্তন আনতে পারি?

সব থেকে বেশি ভালো হয় যদি মোবাইলটা হাতে নিয়ে উল্টোপাল্টা ভিডিওগুলো বা ওয়েবসাইট ঘাটাঘাটি না করা,
আর আমি এটাও বলছি না যে কোন জায়গায় বড় পরিবর্তন থাকা খুবই জরুরী। তাই সবার প্রথমে আপনার একটা বড় কারণ আপনি নিজেই খুঁজে বের করুন। আর আপনি চাইলে আমি আপনাকে সেটা খুঁজতে সাহায্য করতে পারি।।

এর জন্য আপনাকে শুধুমাত্র একটা অ্যাপ ডাউনলোড করতে অনুরোধ করবো,যেটা অন করলে আপনাকে একটা টার্গেট দেওয়া হবে, এবং সে অনুযায়ী আপনাকে রুল ফলো করতে হবে সেই এ্যাপ এর।
এর ফলে অতিরিক্ত হস্তমৈথুন করা আপনার পক্ষে আর সম্ভব হবে না। 

এ্যাপসের নাম (Samsung health)
এই এপসটি অফিশিয়াল ভাবে তৈরি করেছে Samsung মোবাইল কোম্পানী,এবং এটি প্লে স্টোরে বা এপ্স স্টোরে সার্চ করলেই আপনি পোয়ে যাবেন, আর যদি আপনি Samsung মোবাইল user হয়ে থাকেন, তাহলে এটি আপনার ফোনের মধ্যে ডিফল্ট ভাবে দেয়া থাকবে।

এই অ্যাপটি মূলত আপনাকে আপনার ফিটনেস ধরে রাখতে বিভিন্ন ভাবে সাহায্য করবে তাই আপ্ব্বনি চাইলে এটি ব্যবহার করে দেখতে পারেন।

তবে সপ্তাহে একবার হস্তমৈথুন করা দোষের কিছু না (মেডিকেল সাইন্সের মতে যদিও ইসলামের দৃষ্টিকোনে হস্তমৈথুন একদম নিষিদ্ধ) আর আমি যেরকম ভাবে বললাম সে ভাবে কাজ করলে খুব বড় পরিবর্তন আনাটা আপনার পক্ষে কঠিন কিছু না।
 
কারন একটি জিনিস তখনই খুব ভালো মানের যখন আপনি সেটা সীমার মধ্যে ব্যবহার করবেন। অতিরিক্ত কোন কিছুই ভালো না…

আর সবচেয়ে ভালো হয় এই যে আমাদের মন বিচার কে সবসময় সব ধরনের আজেবাজে চিন্তা, পর্ণগ্রাফি আসক্তি থেকে নিজেকে দূরে রাখতে হবে।।
আর আপনি কতটা সুখী তা নির্ভর করবে আপনি কতটা সুস্থ আছেন তার উপর।
আশা করি আপনি বুঝতে পেরেছেন,আজকের এতোটুকুই। টিপ্স২হাব এর পাশে থাকুন।ভালো লাগলে বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করুন জানুন।।

Also Read: ফেসবুকে পেজের লাইক বাড়ানোর কিছু উপায়

Leave a Comment